বাংলাদেশের চাকরি ও নিয়োগ সংক্রান্ত আপডেট স্বপ্ন যাদের সরকারি চাকরি
আপডেট সর্বশেষ চাকরির বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষার সময়সূচি ও গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ জানতে নিয়মিত চোখ রাখুন।

ভাইভায় নিজের সম্পর্কে বলতে বললে যেভাবে উত্তর দিবেন


Introduce Yourself

আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন! 

কীভাবে দিবেন এ প্রশ্নের উত্তর?

বিভিন্ন চাকরির ভাইভায় একটি কমন প্রশ্ন হলো “আপনার নিজের সম্পর্কে কিছু বলুন! অথবা আপনার নিজের সম্পর্কে ৫টি বাক্য বলুন!” সাধারণত ভাইভার শুরুতেই প্রশ্নকর্তা এধরণের প্রশ্ন করে থাকেন। আর এ প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমেই চাকরিদাতা আপনার সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা পেয়ে যান এবং সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন আপনি এ চাকরির জন্য যোগ্য কিনা। তাই এ প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রার্থীকে তার সৃজনী শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। কারণ এখানে প্রশ্নের সঠিক ও ভুল উত্তর নিয়ে ভাবতে হয় না। অত্যন্ত সুন্দর ভাবে দিয়ে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিতে হবে।  চলুন জেনে নেই কীভাবে এ প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দেওয়া যায়।


নিজের সম্পর্কে যা যা বলবেন

শুধুমাত্র আপনার নিজের সম্পর্কে বলবেন। কোনো অপ্রাসঙ্গিক কথা এখানে বলা যাবেনা। এমন কিছু বলুন যা চাকরিদাতাকে আপনার প্রতি আগ্রহী করে তুলে। এধরণের প্রশ্ন করা হয় সাধারণত প্রার্থী হিসেবে আপনি কতটা যোগ্য তা বুঝতে এবং আপনার উপস্থিত বুদ্ধি ও উপস্থাপন দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য। এ প্রশ্নের উত্তর শুরু করতে পারেন এভাবে-

১. নিজেকে দিয়ে বলা শুরু করবেন। আপনার স্কুল-কলেজ, লেখাপড়া, লেখাপড়ার বিষয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কোন স্কলারশীপ বা  অন্য কোন ইভেন্টে প্রথম স্থান অর্জন করে থাকলে তা বলতে পারেন।

২. আপনার যদি কাজের অভিজ্ঞতা থাকে তা বলতে হবে। সেখানে আপনার দক্ষতা, সাফল্য ও প্রাপ্তি কী ছিল তা তুলে ধরতে হবে এবং অবশ্যই সেই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে একটি ভালো ফিডব্যাক দিতে হবে।

৩. আপনার যে কোন দুএকটি গুণের কথা বলুন। তবে অবশ্যই সেটা যেন আপনার চাকরির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। 

৪. আমরা কেউ কিন্তু সর্বজান্তা নই। আমাদের প্রত্যেকের কোন না কোন দুর্বলতা রয়েছে। এক্ষেত্রে আপনার দুর্বলতার কথা বলুন এবং এই দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে কী কী করছেন তা বলুন। 

৫. বক্তব্যটি বেশি দীর্ঘায়িত করবেন না। ২ থেকে ৩ মিনিটের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করুন। 


নিজের সম্পর্কে ১০ টি বাক্য বাংলায়

আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন?- প্রশ্নের উত্তর এভাবে দিতে পারেন


উদাহরণ : “ধন্যবাদ স্যার! আমাকে আমার নিজের সম্পর্কে কিছু বলার সুযোগ দেওয়ার জন্য। আমি প্রিতম রায়, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর থেকে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। সেখানে লেখাপড়া করা অবস্থায় আমি বিতর্ক প্রতিযোগীতা ক্লাবের সদস্য ছিলাম এবং কয়েকবার বিতর্ক প্রতিযোগীতায় প্রথম হয়েছিলাম। লেখাপড়া শেষে আমি বাংলালিক কোম্পানীতে কাস্টমার রিলেশনশীপ অফিসার হিসেবে দুই বছর কাজ করেছি। সেখানে আমি দক্ষতার সাথে আমার কাজ করতে পেরেছি এবং সেখান থেকে আমি শিখেছি কীভাবে টীম ওয়ার্ক করতে হয়, মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করে কীভাবে নিজের কাজের টার্গেট পূরণ করতে হয় এবং কীভাবে মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান দেওয়া যায়। 

এখানে একটি কথা বলতে হয় আমি টিম লিডার হিসেবে অনেক দক্ষ এবং যে কোনো পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিন্ধান্ত নিতে আমি পারদর্শী। আমি স্পষ্ট কথা বলতে ভালোবাসি। প্রত্যেক মানুষের কিছু দুর্বলতা থাকে। আমিও এর বাইরে নই আমারও কিছু দুর্তবলা রয়েছে, তা হলো আমি সহজে কাউকে না বলতে পারিনা। হোক সেটা কাজের ক্ষেত্রে বা অন্যান্য সাহায্যের ক্ষেত্রে। এর জন্য আমাকে অনেক সময় সহকর্মীদের আবদার রাখতে অনেক পরিশ্রম করতে হয় এবং অন্যান্য সহযোগীতাও করতে হয়। আরও একটি দুর্বলতা বলা যায় আমি ভিষণ কাজ পাগল। কাজ করতে শুরু করলে যতক্ষণ না শেষ হয় ততক্ষণ দিন-রাত, খাওয়া -দাওয়া ভুলে যাই। আমার সম্পর্কে  আরো বিস্তারিত তথ্য আমি আবেদন করার সময় সিভিতে উল্লেখ করেছি। ধন্যবাদ স্যার।” 

এখানে লেখা দেখে মনে হচ্ছে অনেক কথা। কিন্তু যখন আপনি এগুলো নিজের মত করে বলবেন, তখন দেখবেন ২থেকে ৩ মিনিটের বেশি সময় লাগবে না। 


এ প্রশ্নের উত্তরে যা কখানোই বলবেন না

১.  নিজের পারিবারিক বিষয় তুলে ধরবেন না। বিশেষ করে আমার বাবা-মা, মামা-চাচা, খালু ইত্যাদি কে কি করে না করে এসব বিষয় কোনভাবেই বলা যাবে না।

২. আপনার বাবার নাম, মায়ের নাম, কয় ভাই-বোন, ঠিকানা ইত্য বলতে যাবেন না। 

৩. আপনি নিজে যদি রাজনীতির সাথে জরিত থাকেন নেই পরিচয় এবং পরিবারের কারো রাজনৈতিক পরিচয় দেওয়া যাবে না।

৪. এমন কোনো অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা যাবেনা যা আপনার পদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। 


মৌখিক পরীক্ষায় সফল হওয়ার সেরা উপায়


সরকারি চাকরির পরীক্ষার সিলেবাস


Tell us something about yourself! How to answer this question?

1. Start by telling yourself. You can mention your ‍School-College, subject of study and educational institution and if you won first place in any scholarship or any other event.

2. If you have work experience you must state. Your skill there, Highlight what the successes and achievements were and definitely give a good feedback about the organization.

3. Mention any two good qualities of yours. But of course it should be compatible with your job.

4. We are none but omniscient. We all have weaknesses. Talk about your weaknesses and what you are doing to overcome these weaknesses.

5. Do not make the speech too long. Try to finish within 2 to 3 minutes.


নিজের সম্পর্কে ১০ টি বাক্য ইংরেজিতে

Introduce Yourself Example in interview

Example: Thank you sir! For giving me a chance to tell something about myself. I am Pritom Roy. I have completed graduation and post graduation in Economics from Carmichael College, Rangpur. While studying there I was a member of the Debate Competition Club and stood first in debate competitions several times. 
After complete my graduation, I worked as a Customer Relationship Rfficer in Banglalik Company Ltd for two years.There I was able to do my work efficiently and from there I learned how to do team work, how to meet people's targets and how to solve people's problems. One thing to say here is that I am very skilled as a team leader and I am good at taking the right decision keeping a cool head in any situation. I love to speak clearly.
One of my weaknesses is that I can't say no to anyone easily. Be it work or other help. For this, I often have to work hard to keep up with colleagues and do other collaborations as well. Another Weaknesses is that I am a workaholic. When I start working, I forget to eat and drink until I finish. Moreover, I have mentioned my details in the CV while applying. thank you again sir.


নিজের সম্পর্কে আমরা প্রত্যেকেই জানি কিন্তু সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে পারিনা। আপনি যদি উপরের নিয়ম অনুসরণ করে সুন্দর ও সাবলিল ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারেন তাহলে শত শত প্রার্থীর থেকে নিঃসন্দেহে এগিয়ে থাকবেন এবং আপনার সম্পর্কে আরো জানতে পরীক্ষক আগ্রহী হবে। যা আপনার চাকরি প্রাপ্তিতে অনেকটা সহায়ক হবে।




অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে চাকরির সেরা প্রস্তুতি

 কীভাবে প্রস্তুতি নিলে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে আপনার চাকরি হবেই!

অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর চাকরি প্রস্তুতি


অফিস সহকারী কাম- কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক বলতে সাধারণত সেই  ব্যক্তিকে বুঝায় যিনি অফিসের কাজে সহযোগিতা,  অফিসের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দাপ্তরির কাজ, নথিপত্র, নোটিশ ইত্যাদিসহ নির্দেশিত যাবতীয় কাজ কম্পিউটারে টাইপ করে থাকে। বর্তমানে সরকারি দপ্তরগুলোতে অফিস সহকারী কাম কম্পিউার অপারেটর, কম্পিউটার অপারেটর, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, অফিস সহকারী  এবং সাঁট মুদ্রাক্ষরিক পদে প্রচুর জনবল নিয়োগ দিচ্ছে । এসব পদে দক্ষ লোকের যথেষ্ট অভাব রয়েছে বিভিন্ন দপ্তরে। সারা বছরই বিভিন্ন সরকারি দপ্তর এসব পদে লোক নিচ্ছে। তাই আগে থেকেই প্রস্তুতি থাকলে সহজে এসব পদের নিয়োগ পাওয়া সম্ভব। 


     অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের পরীক্ষা পদ্ধতি

    সাধারণত অফিস সহকারী কাম কম্পিউার অপারেটর, কম্পিউটার অপারেটর, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, অফিস সহকারী  এবং সাঁট মুদ্রাক্ষরিক পদের নিয়োগ পরীক্ষা ৭০ নম্বরের লিখিত/ এমসিকিউ হয়ে থাকে। লিখিত পরীক্ষায় পাস করলে কম্পিউটারে কাজের দক্ষতা তথা টাইপিং দক্ষতা প্রমাণের জন্য ১০ নম্বরের ব্যাবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। ব্যাবহারিক পরীক্ষায় পাস করলে তারপরে ২০ নম্বরের ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। যারা এসকল ধাপ অতিক্রম করতে পারেন তারাই এসব পদে নিয়োগ পেয়ে থাকেন।

      

    শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা

    অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর হলো তৃতীয় শ্রেণির পদ। এ পদে আবেদনের জন্য  শিক্ষাগত যোগ্যতা সাধারণত ন্যূনতম উচ্চ মাধ্যমিক পাস হতে হয়। তবে বর্তমানে কিছু কিছু বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক ডিগ্রি চাওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া কম্পিউটার টাইপিংয়ে প্রতি মিনিটে বাংলা ২০ শব্দ এবং ইংরেজি ২০ শব্দ  লেখার গতি থাকতে হয়। পাশাপাশি কম্পিউটারের মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, ডাটা এন্ট্রি, ইন্টারনেট ব্রাউজিং ও ই-মেইলে কর্মদক্ষতা চেয়ে থাকে।  ব্যাবহারিক পরীক্ষার সময় এগুলো যাচাই করা হয়। আবার সাঁটমুদ্রাক্ষরিক পদে সাঁটলিপিতে প্রতি মিনিটে গতি বাংলায় ৭০ ও ইংরেজিতে ৪৫ শব্দ থাকতে হয়।


    অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি

     

    অফিস সহকারী কাম কম্পিউার অপারেটর, কম্পিউটার অপারেটর, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, অফিস সহকারী  এবং সাঁট মুদ্রাক্ষরিক পদের নিয়োগ পরীক্ষা ৭০ নম্বরের লিখিত/ এমসিকিউ হয়ে থাকে। এসব পদে সাধারণত দুই ধরণের পরীক্ষা হয়ে থাকে। লিখিত ও এসসিকিউ। উভয় পরীক্ষা ৭০ নম্বরের হয়ে থাকলেও পরীক্ষা পদ্ধতি কিছুটা আলাদা হয়ে থাকে।

    প্রথমত লিখিত পরীক্ষায় ৭০ নম্বরের মধ্যে বাংলা :২০, ইংরেজি : ১৫-২০, গণিত: ২০ এবং সাধারণজ্ঞান ও কম্পিউটার বিষয়: ১০-১৫ নম্বরের প্রশ্ন হয়ে থাকে। বেশির ভাগ নিয়োগ পরীক্ষায় ১ নম্বরের এককথায় প্রকাশ আকারে প্রশ্ন থাকে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাংলা এবং ইংরেজিতে নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর সংক্ষিপ্ত আকারে কিছু লিখতে বলে থাকে।

    দ্বিতীয়ত- এমসিকিউ পরীক্ষার ক্ষেত্রেও ৭০ নম্বরের মধ্যে বাংলা :২০, ইংরেজি : ২০, গণিত: ২০ এবং সাধারণজ্ঞান ও কম্পিউটার বিষয়: ১০ নম্বরের প্রশ্ন হয়ে থাকে।

     

    লিখিত/এমসিকিউ পরীক্ষার সিলেবাস

    অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বিষয়ভিত্তিক ভাবে প্রস্তুতি নিলে সহজে এসব পরীক্ষায় ভালো করা যায়। লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার জন্য প্রথমে আপনাকে বিগত সালের চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নগুলো বার বার সমাধান করতে হবে। অনেক সময় পরীক্ষায় প্রশ্ন রিপিট হয়ে থাকে। তাছাড়া প্রশ্নের ধরণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনাও পাওয়া যায়। নিচে আপনাদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে বিষয় ভিত্তিক সিলেবাস তুলে ধরা হলো

    বাংলা ব্যাকরণঃ

    ১। পদ (বিস্তারিত)

    ২। সমাস

    ৩। কারক-বিভক্তি

    ৪। সন্ধি বিচ্ছেদ

    ৫। বাগধারা

    ৬। এককথায় প্রকাশ

    ৮। সমার্থক শব্দ ও বিপরীত শব্দ।

    ৯। বানান শুদ্ধিকরণ

    ১০। লিঙ্গান্তর

    ১১। অনুবাদ, পারিভাষিক শব্দ।

    ১২। যতি বা ছেদ চিহ্ন

    ১৩। বাক্য

    ১৪। সংক্ষিপ্ত অনুচ্ছেদ, ভাব-সম্প্রসারণ, দরখাস্ত (লিখিত পরীক্ষার জন্য)

     

    বাংলা সাহিত্য

    ১। বাংলা সাহিত্যের প্রথম সাহিত্যকর্ম (উপন্যাস, নাকট, কবিতা, ছোটগল্প, মহাকাব্য) কবির নাম প্রকাশকাল সহ

    ২। মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলন বিষয়ক (উপন্যাস, নাকট, কবিতা, ছোটগল্প, মহাকাব্য) কবির নাম প্রকাশকালসহ।

    ৩। বিভিন্ন কবি ও লেখকের ছদ্ম নাম ও উপাধি।

    ৪। গুরুত্বপূর্ণ  বিভিন্ন লেখকের জন্ম-মৃত্যুসাল, পুরস্কারপ্রাপ্ত সাহিত্য, বিভিন্ন বিষয়ের জনক।

    ৫। বাংলা সাহিত্যের আদি গ্রন্থ চর্যাপদ, বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাগ (১১-১৫ গ্রেডের পরীক্ষায় আসে)।

    বাংলা প্রস্তুতির জন্য নিম্নের বইগুলো পড়তে পারেন:

    • ৯ম-১০ম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বই। 
    • অগ্রদূত/অভিযাত্রী প্রকাশনীর বই।

    শুন্য থেকে সরকারি চাকরির প্রস্তুতি

     

    ইংরেজি

    আমরা যেহেতু বাঙালি তাই ইংরেজির নাম শুনলেই অনেকে ভয় পাই। আর চাকরির পরীক্ষার জন্য ইংরেজি হচ্ছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কীভাবে প্রস্তুতি নিলে আপনি চাকরির পরীক্ষায় ইংরেজিতে ভালো করবেন তা নিয়ে আলোচনা করব। নিচের সিলেবাস অনুযায়ী প্রস্তুতি নিলে ইংরেজিতে ভালো করা সম্ভব।

    1. Phrase and Idioms

    2. Sentence

    3. Transformation of sentences

    4. Right form of verb

    5. Preposition, Article

    6. Word/Sentence correction

    7. Narration

    8. Voice

    9. Synonym & Antonym

    10. Short paragraph (For Written)

    11. ইংরেজি সাহিত্য থেকে (১১-১৫ তম গ্রেডের)চাকরির পরীক্ষায় অনেক সময় দুই একটি প্রশ্ন হয়ে থাকে। উপরের বিষয়গুলো প্রস্তুতি শেষ করে ইংরেজি সাহিত্যের মৌলিক কিছু বিয়ষ পড়তে পারেন।

     

    ইংরেজি প্রস্তুতির জন্য নিম্নের বইগুলো পড়তে পারেন:

                * মোঃ ফজলুল হক স্যারের “ English For Competitive Exams"

                * জাহাঙ্গীর আলম স্যারের “ Master English” 

     

    গণিত

    চাকরির পরীক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো গণিত। গণিতে যে যত ভালো লিখিত পরীক্ষায় টিকার সম্ভাবনা তার তত বেশি। তাই গণিতে ভালো করতে হলে নিচের সিলেবাস অনুযায়ী ভালোবাভে প্রস্তুতি নিতে হবে এবং প্রচুর প্রাকটিশ করতে হবে।

    ১। সংখ্যার ধারণা (মৌলিক সংখ্যা, যৌগিক সংখ্যা, মূলদ, অমূলদ)

    ২। ল.সা.গু, গ.সা.গু,

    ৩। গড়,

    ৪। বয়স নির্ণয়,

    ৫। অনুপাত-সমানুপাত,

    ৬। নল-চৌবাচ্চা, নৌকা ও স্রোত।

    ৭। শতকরা, লাভ-ক্ষতি, ঐকিক নিয়ম, সুদ-কষা।

    ৮। সূত্রের সাহায্যে মান নির্ণয়, উৎপাদকে বিশ্লেষণ।

    ৯। জ্যামিতির জন্য ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, আয়তক্ষেত্র, বর্গক্ষেত্র, রম্বস, ট্রাপিজিয়াম, কোণ, বৃত্ত (সংজ্ঞা, আয়তন ও ক্ষেত্রফল নির্ণয়)

     

    গণিত প্রস্তুতির জন্য নিম্নের বইগুলো পড়তে পারেন:

    • ৯ম-১০ম শ্রেণীর বাংলা সাধারণ গণিত বই। 
    • খাইরুলস বেসিক ম্যাথ ও খাইরুলস প্রাথমিক শিক্ষক গাইড



    সাধারণ জ্ঞান

    সাধারণ জ্ঞানের জন্য অনেক বেশি পড়তে হয়। তবে সাধারণ জ্ঞানের পিছনে অধিক বই পড়ে সময় অপচয়ের চেয়ে দৈনিক পত্রিকা, প্রতি মাসের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স, বিভিন্ন সাময়িকি ইত্যাদি পড়লে ভালো ফল পাওয়া যায়। তাছাড়া বর্তমান যুগ হচ্ছে সোস্যাল মিডিয়ার যুগ। সোস্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন গ্রুপের মাধ্যমেও সাধারণ জ্ঞানের অনেক গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় জানা যায় এবং প্রস্তুতিও হয়ে যায়।

     বাংলাদেশ বিষয়াবলি:

    • বাংলার প্রাচীনযুগ ও মধ্যযুগ পড়ুন,
    • ভাষা আন্দোলন,
    • মুক্তিযুদ্ধ,
    • ৬ দফা,
    • মুজিবনগর সরকার,
    • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
    • মোঘল আমল, ইংরেজ আমল ভালো করে পড়ুন। সাথে অর্থনৈতিক সমীক্ষা পড়ুন।

    আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক সংগঠন:

    • সদর দপ্তর,
    • ভৌগোলিক অবস্থা,
    • বিশ্বের উচ্চতম, দীর্ঘতম, ক্ষুদ্রতম এগুলো জোর দিয়ে পড়তে হবে। 

     

    অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ব্যাবহারিক পরীক্ষার প্রস্তুতি

    অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাবহরিক পরীক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ তৃতীয় শ্রেণির এসকল পদে অনেক অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষাগত যোগ্যতার অনেকে সহজেই লিখিত পরীক্ষায় টিকলেও টাইপিং দক্ষতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারার কারণে চাকরি হয় না। তাই টাইপিংয়ে গতি বাড়ানোর জন্য নিয়মিত টাইপিং প্রাকটিশ করতে হবে। টাইপিং স্পিড বৃদ্ধির বিভিন্ন ভিডিও টিউটোরিয়াল ইউটিউবে পাওয়া যায়। সেগুলো দেখে বেশি বেশি চর্চা করতে হবে। আপনাকে কী বোর্ডের লে-আউট তথা কোন বাটনে কোন অক্ষর আছে তা মুখস্থ করতে হবে। এতে আপনার লেখার স্পিড বৃদ্ধি পাবে। তাছাড়া মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল ইত্যাদি বিষয়ে সাধারণ ধারনা থাকতে হবে। এর জন্যও ইউটিউবে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল আছে তা দেখে চর্চা করুন। আবার সাঁটমুদ্রাক্ষরিক পদের জন্য সাঁটলিপি জানতে হবে। বর্তমানে সাঁটলিপি জানা প্রার্থী পাওয়াই যায় না। তাই সাঁটলিপি জানা আপনার জন্য একটি বাড়তি যোগ্যতা।

     

    অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের কাজ

     অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক বলতে সাধারণত যে ব্যক্তি একইসঙ্গে অফিসের কাজে সহযোগিতা এবং অফিসের প্রয়োজনীয় নথিপত্র, নোটিশ ইত্যাদিসহ নির্দেশিত যাবতীয় কম্পিউটারে টাইপ করে তাকে বোঝায়। তাহলে যে অর্থ দাঁড়ায় তা হচ্ছে অফিসের কাজে সাহায্য করা এবং অফিসের প্রয়োজনীয় নথিপত্র টাইপ করা যার দায়িত্বতাকেই অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক বলে।  

    চলুন জেনে নেই, একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক কী কী কাজ করে থাকেন?

    • অফিসের নির্ধারিত নথিপত্র রক্ষণাবেক্ষণ এবং মুদ্রাক্ষরণকরণ।
    • প্রতিটি অফিসেই অনেক রেজিস্টার আছে তাই রেজিস্টার মেইনটেইন করা।
    • যাবতীয় চিঠিপত্র কর্তৃপক্ষের আদেশ নির্দেশে টাইপিংয়ের কাজ করা।
    • ফাইলের উপর কম্পিউটারে কম্পোজ করে নথির বিষয়, নথি নম্বর, পূর্ববর্তী নথির সুত্র, নথি বন্ধের তারিখ ইত্যাদি প্রয়োজনীয় বিষয় লিপিবদ্ধ করা।
    • কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যাতায়াতের গাড়ি ভাড়ার নোটকরণ এবং গাড়ি ভাড়া সংগ্রহ করে চালান তৈরি করে হিসাব শাখায় প্রেরণ
    • চিঠি তৈরি ও বিতরণ করা।
    • কম্পিউটার সংক্রান্ত কাজ ও বিল তৈরিকরণের কাজ।
    • টেন্ডার সিডিউল তৈরি ও বিক্রয়।
    • টিইসি সদস্য বরাবর পত্র প্রেরণ, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির প্রতিবেদন ও কার্যাদেশ তৈরি করা।
    • বাসা বরাদ্দ সংক্রান্ত কাজ।
    • অধিকাল ভাতার বিল, সকল প্রকার বিলের ব্যয় মঞ্জুরী তৈরি ও উপস্থাপন করা।
    • যাবতীয় পত্রাদি গ্রহণ ডাইরী, ইস্যুকরণ ও বিতরণের ব্যবস্থাকরণ;
    • প্রশাসনিক কর্মকর্তা/ প্রধান সহকারী কর্তৃক নির্দেশিত যে কোন চিঠিপত্রের খসড়া প্রস্তুতকরণ, পরিচ্ছন্ন পত্র তৈরিকরণ এবং নথি উপস্থাপন করা।
    • টেন্ডারের কাজে অফিস সহকারী-৩ কে প্রয়োজনীয় সহায়তা করণ: যেমন-সিলগালাকরণ, বিভিন্ন সিল ছাপাকরণ।নিলাম সংক্রান্ত যাবতীয় নথি উপস্থাপন করা অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এর কাজ।

    এছাড়াও যেকোনো সময়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে অনুযায়ী অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিকগণ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে থাকেন ।

      

     আরো পড়ুন:

    অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে ভাইভা প্রস্তুতি

    শুন্য থেকে সরকারি চাকরির প্রস্তুতি শুরুর উপায়



    বিভিন্ন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষার ফলাফল, প্রশ্ন-সমাধাণ, সাজেশন ইত্যাদি আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানতে পারবেন। তাছাড়া আমাদের ফেসবুক পেজটি “সরকারি চাকরির বিজ্ঞপ্তি ও পরীক্ষার সময়সূচি” ফলো করে রাখুন এবং যে কোনো ধরনের চাকরির প্রস্তুতি ও গ্রুপ স্টাডি করতে জয়েন করুন “সরকারি চাকরির প্রস্তুতি ও গ্রুপ স্টাডি” গ্রুপে।  ধন্যবাদ সবাইকে।